Summary
Highlights
টাটা পাঞ্চ ইভির মালিক ফয়সাল খান, গাড়ির মালিকানা পর্যালোচনা দেন। তিনি তার হতাশাজনক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন, যেখানে চার্জিংয়ের সমস্যা এবং কোম্পানি থেকে প্রদত্ত পরিসরের তুলনায় কম বাস্তব পরিসরের কথা তুলে ধরেছেন।
খান চার্জিং করার সময় নানান সমস্যার সম্মুখীন হন, যেমন চার্জিং পিন আটকে যাওয়া, দুর্বল সিগনাল, এবং বিভিন্ন চার্জিং স্টেশনগুলির জন্য একাধিক অ্যাপ ডাউনলোড করার প্রয়োজনীয়তা। তিনি দাবি করেন যে কোম্পানি দ্বারা বলা ৪৮০ কিমি এর জায়গায় তিনি মাত্র ২৫০-২৬০ কিমি রেঞ্জ পান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এক মাসে অন্তত আটবার তার চার্জিং পিন আটকে গেছে।
খান কোম্পানির পরিষেবা ও ওয়ারেন্টি সংক্রান্ত কঠোর নীতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন যে বাইরের ওয়ার্কশপ থেকে কোনো যন্ত্র পরিবর্তন করলে ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যায়, যা তাকে উচ্চ মূল্যে কোম্পানির কাছে গাড়ির যন্ত্রাংশ বদলাতে বাধ্য করে। তিনি ৭,০০০ কিমি পর গিয়ার ওয়েল পরিবর্তনের জন্য ৭,০০০ টাকা চার্জ করার মতো বিষয়গুলির উল্লেখ করেছেন।
খান ইভির কিছু দুর্বলতার কথা বলেছেন, যেমন ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে গাড়ির চাকা জ্যাম হয়ে যাওয়া, যার ফলে গাড়ি টেনে নিয়ে যাওয়া যায় না। তিনি এই মুহূর্তে ইভি কেনার জন্য কাউকে সুপারিশ করেন না এবং পেট্রোল বা ডিজেল গাড়ির কেনার কথা বলেন। তার মতে ডিজেল গাড়ি জ্বালানি খরচ এবং রেঞ্জের দিক থেকে সেরা বিকল্প।
খান ইভি-এর উপর অতিরিক্ত জিএসটি এবং ট্যাক্স নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন সরকার ইভি ব্যবহার বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষকে শোষণ করছে, যার ফলে গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ পড়ছে।
খান বলেছেন যে টাটা পাঞ্চ ইভি আরামদায়ক এবং নির্মাণে ভালো, কিন্তু চার্জিং এবং পরিসেবার সমস্যার কারণে তিনি আর ইভি কিনবেন না। বর্তমানে গাড়িটি বিক্রি করলে ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে, তিনি আপাতত ২-৩ বছর চালিয়ে পরে বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছেন।