Summary
Highlights
ভিডিওটিতে টাটা পাঞ্চ পিওর প্লাস সিএনজি ভেরিয়েন্টের মালিক ঋতেশ কৌশিকের সাথে তার অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ঋতেশ এর আগে মারুতি ফ্রঙ্কস কেনার পরিকল্পনা করলেও টাটার বিল্ড কোয়ালিটি এবং নির্ভরযোগ্যতার কারণে পাঞ্চ বেছে নেন।
গাড়ির সিএনজি মাইলেজ নিয়ে মালিক জানান যে শহরে এসি চালানো অবস্থায় তিনি সন্তোষজনক মাইলেজ পাচ্ছেন। হাইওয়েতে দীর্ঘ যাত্রায় একবার ফুল সিলিন্ডারে প্রায় ২৫০ কিমি মাইলেজ পাওয়া সম্ভব হয়েছে, যা বেশ সাশ্রয়ী।
গাড়ির অভ্যন্তরীণ জায়গা নিয়ে মালিক সন্তুষ্ট। পাঁচজন যাত্রী আরামে বসতে পারেন। এছাড়া এর ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম, এসি পারফরম্যান্স এবং পেছনের সিটের আরাম নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছে। তবে ওআরভিএম (ORVM) অটো-ফোল্ড না থাকায় কিছুটা অস্বস্তির কথাও উঠে এসেছে।
ভিডিওতে টাটা পাঞ্চের ফাইভ-স্টার সেফটি রেটিংয়ের বাস্তব প্রতিফলন দেখানো হয়েছে। একটি দুর্ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে যে, ধাক্কা লাগলেও গাড়ির বডি ডেন্ট হয়নি, শুধুমাত্র সামান্য স্ক্র্যাচ পড়েছে, যেখানে অন্য গাড়ির বাম্পার ভেঙে গিয়েছিল।
মালিক মনে করেন টাটা পাঞ্চ একটি 'ভ্যালু ফর মানি' গাড়ি। যারা শক্তপোক্ত বিল্ড এবং ভালো পারফরম্যান্স চান, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার পছন্দ। নিরাপত্তার দিক থেকে এটি মারুতির সমমানের অন্যান্য গাড়ির চেয়ে এগিয়ে।