Annapurna Yojana Form Fill Up, CM Suvendu Adhikari: নবান্ন থেকে প্রকাশ হল অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম
Summary
Highlights
প্রথম ক্যাবিনেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের মঞ্জুরি দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক ধারণা ছিল যে, প্রাপকদের তালিকা যাচাই করা হয়েছে। কিন্তু পরে অভিযোগ আসে যে, ভোটার তালিকা থেকে অনেকের নাম বাদ গেছে, এমনকি ৩০ লক্ষের কাছাকাছি মানুষ, যারা ভারতীয় ভোটার তালিকায় নেই, তারাও লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন, যা অর্থনৈতিক স্বচ্ছতার অভাব নির্দেশ করে।
পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, কেবল উপযুক্ত ও আর্থিক দিক থেকে দুর্বলদেরই অর্থ সহায়তা করা উচিত। তাই একটি নতুন ফর্ম চালু করা হয়েছে। মহিলা ও শিশু কল্যাণ দপ্তর এই প্রকল্পের নোডাল দপ্তর হলেও, মুখ্য সচিব এবং অর্থসচিবের নেতৃত্বে পুরো প্রশাসন, যেমন - জেলাশাসক, বিডিও, মিউনিসিপালিটির সিও এবং কর্পোরেশনের কমিশনাররা এতে যুক্ত থাকবেন। ভোটাধিকার এবং আধার সংক্রান্ত কাজের সাথে জড়িতরাও এতে সাহায্য করবেন।
নতুন ফর্মে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে, কারণ সরকার অন্নপূর্ণা যোজনায় ৩০০০ টাকা দিতে এবং পরিবারের ডেটা সংগ্রহ করতে চায়, যাতে অন্যান্য কর্মসূচিতেও তাদের সাহায্য করা যায়। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে এবং জুলাই মাসে কার্ড বিতরণ করা হবে। যতদিন আয়ুষ্মান ভারত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হচ্ছে, ততদিন স্বাস্থ্য সাথীর সুবিধা চলতে থাকবে। একইভাবে, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভান্ডার সুবিধা অব্যাহত থাকবে।
সরকার জানিয়েছে যে, ফর্ম পূরণের জন্য তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই। আগামী ৯0 দিন ধরে এই প্রক্রিয়া চলবে, যা অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতিতেই করা যাবে। বিডিও অফিস, পৌরসভা এবং পঞ্চায়েতের আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়েও ফর্ম পূরণে সাহায্য করবেন।
অনেক ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তিরাও লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছেন, যেমন রাকিবুল শেখের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, যিনি একজন পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও সুবিধা নিচ্ছেন। সরকার এবার কেবল প্রকৃত ভারতীয়, রাষ্ট্রবাদী এবং আর্থিকভাবে দুর্বল নারীদেরই এই সুবিধা দিতে চায়। ফর্মগুলিতে সুনির্দিষ্ট ধারা রাখা হয়েছে এবং বিধায়কদেরও ফর্ম পূরণে সহযোগিতা করার জন্য বলা হয়েছে।
এই ফর্মগুলি অন্নপূর্ণা যোজনার ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। আগামী সোমবার থেকে সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে ভ্রমণের সুবিধা চালু হচ্ছে। এখানেও প্রাথমিকভাবে সবাই সুবিধা পেলেও, পরে একটি কার্ডের মাধ্যমে যোগ্য মহিলাদের চিহ্নিত করা হবে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিরা এর সুযোগ নিতে না পারে। প্রতি সপ্তাহে এনরোলমেন্টের অগ্রগতি প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানানো হবে।
সরকার আশাবাদী যে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত প্রাপকরা উপকৃত হবেন এবং এক মাসের মধ্যেই কাজ সম্পূর্ণ হবে। সম্পূর্ণ তথ্যাবলী পরে রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। ফর্মগুলি বাংলা, ইংরেজি এবং হিন্দিতে উপলব্ধ থাকবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, ১লা জুন থেকে যারা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন এবং যাদের নাম বাদ যায়নি, তারা অন্নপূর্ণা ভান্ডারের সুবিধা পাবেন। যারা আগে আবেদন করেননি, তারাও ১লা জুন থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত ফর্ম পূরণ করতে পারবেন।