Summary
Highlights
মালিক নিরাপত্তা এবং দিল্লি-এনসিআর ট্রাফিকের কথা চিন্তা করে আরামদায়ক এএমটি (AMT) সিএনজি বেছে নিয়েছেন। টাটা পাঞ্চের বিল্ড কোয়ালিটি এবং সেফটি ফিচারগুলো অন্য কোম্পানির তুলনায় তাকে বেশি আকৃষ্ট করেছে।
টাটা পাঞ্চের ডুয়েল সিলিন্ডার প্রযুক্তির কারণে বুট স্পেসে কিছুটা জায়গা পাওয়া যায় যা ছোটখাটো ট্র্যাভেলের জন্য যথেষ্ট। এছাড়া গাড়ির আসন এবং কেবিনের আরাম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
গাড়ির ভালো ভিজিবিলিটি এবং ক্রল সিস্টেমের সুবিধা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সিটি ড্রাইভিংয়ে এটি ২০-২৫ কিমি/কেজি মাইলেজ প্রদান করে এবং হাইওয়েতেও পারফরম্যান্স বেশ সন্তোষজনক।
টাটার বিক্রয়োত্তর পরিষেবা সম্পর্কে মালিক ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন। ২৪/৭ হেল্পলাইন এবং পিক-আপ ও ড্রপ সুবিধার মাধ্যমে তারা যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধান করে।
গাড়ির কিছু সীমাবদ্ধতা যেমন এএমটি গিয়ারবক্সের ধীর রেসপন্স, ইঞ্জিনের কিছুটা শব্দ, অ্যান্ড্রয়েড অটোতে কানেক্টিভিটি জটিলতা এবং এসি-এর শীতলীকরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।