Summary
Highlights
দাবি করা 1Gbps গতির বিপরীতে, বাস্তবে 5G স্পিড 200-250 Mbps এর মধ্যে থাকে, যা গ্রাহকদের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে। টেলিকম সংস্থাগুলি এখনও 4G রিচার্জে 5G পরিষেবা দিচ্ছে, যা 5G প্রযুক্তির সম্পূর্ণ ব্যবহার সীমাবদ্ধ করছে।
Airtel প্রথমে যে 5G রাউটারটি চালু করেছিল, তা ছিল একটি সিম-ভিত্তিক ডিভাইস। পরে তারা ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস রাউটার চালু করে। Jio UBR টেকনোলজি নিয়ে এসেছে, যা সিম-ভিত্তিক ছিল। বর্তমানে, Airtel এবং Jio এর ফিক্সড ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড গ্রাহক সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় 98 লাখ এবং 23-25 লাখ।
Airtel আফ্রিকায় 5G রাউটার চালু করেছে, কিন্তু সেখানে গতি খুব কম (13-14 Mbps)। ভারতে, Airtel একটি 5G ডঙ্গল চালু করেছে যার দাম 23,000 টাকা, যা সাধারণ রাউটারের তুলনায় ব্যয়বহুল।
ভারতে 5G রাউটার চালু করতে টেলিকম সংস্থাগুলির এখনও সাহস হচ্ছে না। তারা আশঙ্কা করছে যে 5G রাউটার চালু হলে গ্রাহকরা এটি গ্রহণ করবে না। গ্রাহকদের জন্য একটি পোর্টেবল 5G ওয়াইফাই রাউটার প্রয়োজন, যা টেলিকম সংস্থাগুলির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।
Jio এবং Airtel এর মতো টেলিকম সংস্থাগুলি ভারতে 5G রাউটার চালু করতে দ্বিধা করছে। Airtel বিদেশে 5G রাউটার চালু করেছে, কিন্তু ভারতে নয়। এর কারণ হতে পারে আনলিমিটেড 5G ডেটা প্ল্যান, যা গ্রাহকদের ব্রডব্যান্ড থেকে 5G তে স্থানান্তরিত করতে পারে।