Summary
Highlights
ভিনফাস্ট সম্প্রতি দিল্লি এনসিআর-এ তাদের ইলেকট্রিক ক্যাব সার্ভিস 'গ্রীন এস' চালু করেছে। পরিষেবাটি 'গেম চেঞ্জার' হিসাবে প্রচুর প্রচার পেলেও, ড্রাইভাররা অভিযোগ করছেন যে তাদের প্রতিশ্রুত মাসিক ₹40,000 বেতন এবং বোনাস দেওয়া হচ্ছে না। তারা সপ্তাহে মাত্র ₹1000-₹1300 পাচ্ছেন, যা তাদের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর ফলে ভিনফাস্টের প্রতি আস্থা কমছে এবং নেতিবাচক ইমেজ তৈরি হচ্ছে।
টাটা তাদের সিয়েরা ইভির প্রথম টিজার প্রকাশ করেছে, যেখানে গাড়িটিকে মরুভূমিতে দেখা গেছে। গাড়িটির চেহারা আইসিই মডেলের চেয়ে ভালো বলে মনে হচ্ছে। এটি ফোর-হুইল ড্রাইভের সাথে আসবে, যা এটিকে ভারতের সবচেয়ে সাশ্রয়ী ফোর-হুইল ড্রাইভ গাড়িগুলোর মধ্যে অন্যতম করে তুলতে পারে। এটি সিআরটিএস সেগমেন্টে প্রবেশ করবে এবং ৩০ তারিখে এর লঞ্চ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভার্জ ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল নিয়ে এর আগে বেশ হাইপ তৈরি হয়েছিলো, কিন্তু কোম্পানি প্রতিশ্রুত সময়ে বাইক ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এপ্রিল-মার্চের মধ্যে ডেলিভারি শুরু করার কথা থাকলেও, ডোনাট ল্যাবের ওয়েবসাইটেও বাইক লঞ্চ বা ডেলিভারি সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। এই বিলম্বের কারণে অনেকেই এটিকে একটি 'স্ক্যাম' হিসাবে দেখছেন।
ইভি সুরক্ষার ক্ষেত্রে চীন অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। তাদের GB38031 2025 নামের নতুন সুরক্ষা মান ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে। এই মান অনুযায়ী, ব্যাটারিতে আগুন লাগা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ এবং যাত্রীদের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ধোঁয়া নির্গমনের ক্ষেত্রেও যাত্রী সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে এবং এতে একটি বাধ্যতামূলক হাই-ভোল্টেজ শাটডাউন বাটন থাকবে।
সাইট্রোইন তাদের EC3 ইলেকট্রিক গাড়ির ২০২৬ মডেলের দাম কমিয়েছে, যা এখন আগের মডেলের চেয়ে প্রায় ১.৭ লক্ষ টাকা সস্তা। এটি তিনটি ভেরিয়েন্টে পাওয়া যাবে, যার দাম ১২ লাখ টাকা থেকে শুরু। এতে একটি ২৯ কিলোওয়াট ব্যাটারি প্যাক ও ৩২৫ কিলোমিটার আইডিএস রেঞ্জ থাকবে। যদিও গাড়ির লুক এবং স্থান ভালো, তবে এর পাওয়ারট্রেন এবং ব্যাটারি তুলনামূলকভাবে দুর্বল। টাটার পাঞ্চ ইভি এবং টিয়াগো ইভি এই সেগমেন্টে এর থেকে ভালো বিকল্প।
রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট সরবরাহে চীনের একচেটিয়া আধিপত্যের পর জাপান ও ভারত যৌথভাবে এই খাতে পদক্ষেপ নিয়েছে। জাপানের প্রোটেরিয়াল কোম্পানি, যারা নিউডাইমিয়াম ম্যাগনেট তৈরিতে শীর্ষস্থানীয়, তারা ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের অচুতাপুরাম-এ একটি উৎপাদন প্ল্যান্ট স্থাপন করবে। এতে প্রায় ২২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে এবং প্রতি বছর ১.২ কিলোটন ম্যাগনেট তৈরি হবে। এই উদ্যোগ ভারতের ইভি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পকে সুদৃঢ় করবে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে এটি থেকে উৎপাদন শুরু হবে।
বেবি ডিফেন্ডার, যা ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডারের একটি ছোট সংস্করণ, হাইব্রিড এবং সম্পূর্ণরূপে ইভি উভয় বিকল্পে উপলব্ধ হবে। এটি EMA প্ল্যাটফর্মে তৈরি হচ্ছে এবং এর দৈর্ঘ্য ৪.৫ মিটার হবে। কোম্পানি জানিয়েছে যে ব্যাটারির কারণে অফ-রোড ক্ষমতা কিছুটা সীমিত হলেও, এটি তার সেগমেন্টের সেরা অফ-রোডার হবে। এটি আগামী বছর লঞ্চ হওয়ার কথা রয়েছে।
মার্সিডিজ তাদের এস ক্লাসের প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি ভারতে লঞ্চ করেছে, যার দাম ২.২ কোটি টাকা। আল্ট্রাভেন্ট চেন্নাইয়ে তাদের নতুন শোরুম খুলেছে। বিওয়াইডি ৩২১টি শহরে ৬৬০০টি দ্রুত চার্জার স্থাপন করেছে। রায়নফিল্ড বোর-এ ফ্লিং এফএলআই সি৬-এর সরবরাহ শুরু করেছে। রাফি এনার্জি আইডিএফসি ক্যাপিটালের সাথে আর্থিক অংশীদারিত্ব করেছে। টাটা মোটরস ৩ লক্ষ ইলেকট্রিক গাড়ি বিক্রি করা প্রথম কোম্পানি হয়েছে। আলট্রাটেক সিমেন্ট ৪৫টি ইলেকট্রিক ট্রাক স্থাপন করেছে। বোল্ট আর্থ এবং চার্জ জোন অংশীদারিত্ব করেছে, যার ফলে চার্জ জোন অ্যাপে ১৫০০টির বেশি বোল্ট আর্থ চার্জার পাওয়া যাবে।